1. mznrs@yahoo.com : MIZANUR RAHMAN : MIZANUR RAHMAN
  2. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন আঙ্গিকে আধুনিক চক্ষু চিকিৎসার ঠিকানা চরফ্যাশন দ্বীপ চক্ষু হাসপাতাল শিবারহাট হাইস্কুলে চরফ্যাশন দ্বীপ চক্ষু হাসপাতালের চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প তারেক রহমান ও আনোয়ার ইব্রাহিম দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলন বরগুনায় এলজিইডি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ২২ বছরেই ২৪৫ কোটি টাকার মালিক: হলিউড তারকা মিলি ববি ব্রাউনের উত্থানের গল্প বরগুনার সংরক্ষিত মহিলা আসনে মীরা খানকে দেখতে চায় এলাকাবাসী তালতলীতে আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ ৮০ কেন্দ্রে টিকা নেবেন হজযাত্রীরা, এসএমএসে জানানো হবে তারিখ অতিরিক্ত কাজের চাপে বিরতিতে কেয়া পায়েল তারেক রহমানের গাড়িতে ‘রহস্যময়’ কাগজ সাঁটানোর ঘটনায় তদন্ত চলছে, শনাক্ত হয়নি মোটরসাইকেল আরোহী

‘লকডাউনে’ যাচ্ছে সূর্য, নাসার সতর্কতা জারি

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৬ মে, ২০২০
  • ১৪৯৯ জন সংবাদটি পড়েছেন।

অনলাইন ডেস্কঃ  

করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যে সূর্য শীতল হয়ে আসার খবর দিয়েছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। এটি সূর্যের একপ্রকার ‘লকডাউন’ বলেই তারা ধারণা করছেন। এর ফলে বিশ্বে তাপমাত্রা কমে যাবে, পৃথিবী আরও শীতল হয়ে উঠবে। এছাড়া বিশ্বজুড়ে ভূমিকম্প ও দুর্ভিক্ষের মতো ভয়ংকর দুর্যোগ দেখা দেবে।

নিউইয়র্ক পোস্ট এক প্রতিবেদনে বলেছে, সূর্য বর্তমানে ‘সোলার মিনিমাম’ পরিস্থিতিতে রয়েছে। এর ফলে পৃথিবীতে সূর্যের স্বাভাবিক সময়ে সরবরাহ করা তাপমাত্রা অনেক কমে গেছে। অর্থাৎ পৃথিবীর প্রতি সূর্যের কার্যকলাপ নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্বখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. টনি ফিলিপস বলেন, বিশ্ববাসী সামনে এমন গভীরতম এক সময়ের ভেতরে প্রবেশ করতে যাচ্ছে, যেসময়ে সূর্যের আলো কার্যত অদৃশ্য হয়ে যাবে। সূর্যের সোলার মিনিমাম চলছে। এটি অত্যন্ত গভীর। সানস্পট গণনা থেকে বোঝা যাচ্ছে এটি বিগত শতাব্দীর সবচেয়ে গভীরতম অবস্থানে রয়েছে। সূর্যের চৌম্বকীয় শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। এর মানে হলো সৌরজগতে অতিরিক্ত মহাজাগতিক শক্তির প্রবেশের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন জোতির্বিজ্ঞানী টনি ফিলিপস আরো বলেন, সৌরজগতে অতিরিক্ত মহাজাগতিক রশ্মি প্রবেশ করলে নভোচারী ও মেরুঅঞ্চলের জন্য তা হবে বিপজ্জনক। এছাড়া এটি পৃথিবীর ওপরের বায়ুমণ্ডলের বৈদ্যুতিক-রসায়নকে প্রভাবিত করে এবং বজ্রপাতও বাড়াবে।

১৮১৫ সালের ১০ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ার তামবোরা পর্বতশৃঙ্গে দুই হাজার বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্নুৎপাতের ঘটনা ঘটেছিল। সেই অগ্নুৎপাতে মুহূর্তেই অন্তত ৭১ হাজার মানুষ মার যান। পরের বছর ১৮১৬ সালে বিশ্বের অনেক দেশে গ্রীষ্মকালই দেখা যায়নি। এমনকি জুলাইয়ের গরমের দিনও যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তখন তুষারপাত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design Developed By : JM IT SOLUTION