1. mznrs@yahoo.com : MIZANUR RAHMAN : MIZANUR RAHMAN
  2. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চলতি অর্থবছরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব নয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গরুর ঘাস কাটা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫ বাবার পছন্দের পাত্রকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় ঘুমন্ত মেয়েকে গুলি নতুন আঙ্গিকে আধুনিক চক্ষু চিকিৎসার ঠিকানা চরফ্যাশন দ্বীপ চক্ষু হাসপাতাল শিবারহাট হাইস্কুলে চরফ্যাশন দ্বীপ চক্ষু হাসপাতালের চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প তারেক রহমান ও আনোয়ার ইব্রাহিম দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলন বরগুনায় এলজিইডি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ২২ বছরেই ২৪৫ কোটি টাকার মালিক: হলিউড তারকা মিলি ববি ব্রাউনের উত্থানের গল্প বরগুনার সংরক্ষিত মহিলা আসনে মীরা খানকে দেখতে চায় এলাকাবাসী তালতলীতে আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

রোহিঙ্গাদের ভরসা জাতিসংঘ

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০২২
  • ১৩০১ জন সংবাদটি পড়েছেন।

দেশ‌আলো ডেস্ক:

রাখাইন থেকে রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের মাত্র তিন মাসের মাথায় ২০১৭ সালের নভেম্বরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশ চুক্তি সই করেছিল। এর নেপথ্যে ছিল চীন। আন্তর্জাতিক পরিসরে মিয়ানমার এত বেশি নিন্দিত হচ্ছিল যে চীন কোনোভাবেই চায়নি এতে বাইরের কোনো পক্ষ যুক্ত হোক। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের বেঁধে দেওয়া সময়ে এক দফা প্রত্যাবাসন শুরুর চেষ্টা বিফলে যায়। পরে চীনের মধ্যস্থতায় ২০১৯ সালে আবার প্রত্যাবাসন শুরুর চেষ্টা হলেও একই ফল হয়েছিল।

চলতি মাসে বাংলাদেশ সফরকালে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দূত মিশেল ব্যাশেলেত কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তাদের প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘকে ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান। ওই সভায় উপস্থিত নারী, পুরুষ ও তরুণ মিলিয়ে অন্তত আটজন রোহিঙ্গার সঙ্গে কথা হয়। তাঁদের কাছে প্রশ্ন ছিল: সরকার চীনকে নিয়ে প্রত্যাবাসনের চেষ্টা করছে। চীনের রাষ্ট্রদূত শিবির ঘুরে গেছেন। আপনাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাহলে জাতিসংঘকে অনুরোধ করছেন কেন?

সামরিক জান্তা ক্ষমতা দখলের পর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন আরও অনিশ্চিত। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ফিরতে চায় তারা।

উত্তরে ওই আটজন বলেন, ‘প্রত্যাবাসন তো শেষ পর্যন্ত জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাই (ইউএনএইচসিআর) করবে। তা ছাড়া চীন বরাবরই মিয়ানমার ও সে দেশের সেনাবাহিনীকে সমর্থন করে আসছে। তাই জাতিসংঘই আমাদের ভরসা।’

জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত নোয়েলিন হেজার মিয়ানমার সফর শেষে এখন বাংলাদেশ সফর করছেন। গত মঙ্গলবার কক্সবাজার শিবির পরিদর্শনের সময় রোহিঙ্গারা তাঁর কাছেও প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘকে ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান।

দাবি পূরণ না হলে যাবে না রোহিঙ্গারা :

২০১৯ সালের আগস্টে দ্বিতীয় দফায় প্রত্যাবাসনের চেষ্টা ভেস্তে যাওয়ার পর রোহিঙ্গারা রাখাইনে ফিরতে পাঁচ দফা শর্ত দেয়। এর মধ্যে রয়েছে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেওয়া, রাখাইনে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ভিটেমাটি ফিরিয়ে দেওয়া, ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং হত্যা ও নির্যাতনকারীদের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার। এসব প্রতিশ্রুতির বিষয়ে এখনো মিয়ানমারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রত্যাবাসনের চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের ফিরিয়ে নেওয়ার কথা। বাংলাদেশ ৮ লাখ ২৯ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা মিয়ানমারের কাছে পাঠিয়েছে। মিয়ানমার যাচাই-বাছাই শেষে ৪২ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা বাংলাদেশকে দিয়ে বলেছে, তারা রাখাইনের অধিবাসী ছিল। তবে তালিকাটি অসম্পূর্ণ। আবার তালিকার সবাইকে ফেরত নেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে মিয়ানমার। কারণ, ওই তালিকায় কিছু সন্ত্রাসীর নাম রয়েছে। পাশাপাশি অনেকের নামের বানানসহ নানা তথ্য অসম্পূর্ণ। ফলে এ ধরনের ত্রুটিপূর্ণ তালিকা ধরে কত রোহিঙ্গাকে রাখাইনে ফেরত পাঠানো যাবে, সেই প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design Developed By : JM IT SOLUTION