1. mznrs@yahoo.com : MIZANUR RAHMAN : MIZANUR RAHMAN
  2. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চলতি অর্থবছরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব নয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গরুর ঘাস কাটা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫ বাবার পছন্দের পাত্রকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় ঘুমন্ত মেয়েকে গুলি নতুন আঙ্গিকে আধুনিক চক্ষু চিকিৎসার ঠিকানা চরফ্যাশন দ্বীপ চক্ষু হাসপাতাল শিবারহাট হাইস্কুলে চরফ্যাশন দ্বীপ চক্ষু হাসপাতালের চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প তারেক রহমান ও আনোয়ার ইব্রাহিম দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলন বরগুনায় এলজিইডি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ২২ বছরেই ২৪৫ কোটি টাকার মালিক: হলিউড তারকা মিলি ববি ব্রাউনের উত্থানের গল্প বরগুনার সংরক্ষিত মহিলা আসনে মীরা খানকে দেখতে চায় এলাকাবাসী তালতলীতে আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৬৭৫ জন সংবাদটি পড়েছেন।

ডেস্করিপোর্ট  দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদেরও সদস্য। প্রধানমন্ত্রী তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

রোববার সকালে তাকে নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দপ্তরে যায় ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে একটি টিম। সেখানে মনোনয়ন ফরম তোলা ও জমাদানের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়।

এদিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাই ১৩ ফেব্রুয়ারি। প্রত্যাহার ১৪ ফেব্রুয়ারি। সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি বেলা ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। অবশ্য রাষ্ট্রপতি পদে একক প্রার্থী হলে ভোটের প্রয়োজন হবে না। সে ক্ষেত্রে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের দিনেই একক প্রার্থীকে রাষ্ট্রপতি পদে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

বিরোধী দল জাতীয় পার্টি প্রার্থী না দেওয়ার কথা আগেই জানিয়ে দিয়েছে। তাই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থীই হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি।

পাবনার সন্তান মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর জন্ম ১৯৪৯ সালে। ছাত্রজীবনে পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণকারী সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ১৯৮২ সালে বিসিএস (বিচার) ক্যাডার হিসেবে যোগ দেন। বিচারকের বিভিন্ন পদে চাকরি শেষে ২৫ বছর পর ২০০৬ সালে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসর নেন।

২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর পরই আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীর ওপর হামলা হয়। যাতে হত্যা, ধর্ষণ ও লুণ্ঠনের ঘটনা ঘটে। পরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে ওসব ঘটনার তদন্তে কমিশন’ গঠন করেন, যার প্রধান ছিলেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design Developed By : JM IT SOLUTION