1. mznrs@yahoo.com : MIZANUR RAHMAN : MIZANUR RAHMAN
  2. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চলতি অর্থবছরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব নয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গরুর ঘাস কাটা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫ বাবার পছন্দের পাত্রকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় ঘুমন্ত মেয়েকে গুলি নতুন আঙ্গিকে আধুনিক চক্ষু চিকিৎসার ঠিকানা চরফ্যাশন দ্বীপ চক্ষু হাসপাতাল শিবারহাট হাইস্কুলে চরফ্যাশন দ্বীপ চক্ষু হাসপাতালের চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প তারেক রহমান ও আনোয়ার ইব্রাহিম দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলন বরগুনায় এলজিইডি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ২২ বছরেই ২৪৫ কোটি টাকার মালিক: হলিউড তারকা মিলি ববি ব্রাউনের উত্থানের গল্প বরগুনার সংরক্ষিত মহিলা আসনে মীরা খানকে দেখতে চায় এলাকাবাসী তালতলীতে আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

বরিশাল সওজের প্রকৌশলী শাহরিয়ারের অঢেল সম্পদ!

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২২
  • ৭০৪ জন সংবাদটি পড়েছেন।

স্টাফ রিপোর্টার।। বরিশাল সওজের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ এস এম শাহরিয়ার চৌধুরীর বিরুদ্ধে পাহাড় সমান সম্পদ গড়ার অভিযোগ উঠেছে। ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলির বাসিন্দা বর্তমানে বরিশাল সওজ সার্কেল অফিসের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) পদে কর্মরত রয়েছেন। তিনি রাতারাতি সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে সে রাজশাহী খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন।

জানা যায়, তিনি ড. আব্দুস সালাম চৌধুরীর সন্তান। শহরের ‘ফুলসূট’ ভিলায় তাদের স্থায়ী বসবাস। নিজ দপ্তরে শাহরিয়ার আপদ মস্তক একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এবং মিস্টার ১৫% হিসেবে পরিচিত। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ফরিদপুরের এক আত্মীয়ের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন এবং তার নাম ভাঙিয়ে অগাধ সম্পদের মালিক হয়েছেন।

এ কর্মকর্তার খুলনা শহরে ১৪ টি,ফরিদপুর শহরে ৫ টি ফ্লাট ঢাকার মোহাম্মদপুর বেড়িবাদের পূর্ব পাশে ৬ নম্বর রোডের ৫ নম্বর হাউজ( ১টি ছয় তলা সুরমা বাড়ি) বরিশাল টিয়াখালীতে ২২ একর জায়গার ওপর চৌধুরী ফিশারী নামে একটি বিশাল মৎস্য খামার খুলনা সাতক্ষীরা মূল সড়কের পাশে ঝিলের ডাঙ্গায় ৯৪ একর জায়গায় দুইটি চৌধুরী চিংড়ি মাছের ঘের রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান বাজার মূল্যে বিবেচনায় তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় শত কোটি টাকা। অথচ চতুর্থ গ্রেডে তার বেসিক বেতনকাঠামো ৯৮ হাজার ৪শত ২০ টাকা। তবে তিনি প্রতি মাসে বেতন পান এক লক্ষ টাকার কাছাকাছি। এ বিবেচনায় তার আয়ের থেকে সম্পদের পরিমাণ বেশি। তাছাড়া প্রতি মাসে এক লক্ষ টাকা বেতন হিসাবে বোনাসসহ বছরে আয় প্রায় ১০ লাখ টাকা। এ হিসাবে সপদে থেকে ৩০ বছরে অবসরে যাওয়া পর্যন্ত তার মোট আয় দাঁড়াবে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা। অথচ চাকরির অর্ধেক মেয়াদেই সড়ক ও জনপদ বিভাগের এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রায় শত কোটি টাকার সম্পদের মালিক বনে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে তার অর্জিত সম্পদের সবকিছুই নিজ নামে নয়। নামে বেনামে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। নিজ পরিবার ও আত্মীয়- সজনের নামে সম্পদ রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও আত্মীয়-স্বজনের নামে ঠিকাদারী লাইসেন্স রয়েছে। নির্দিষ্ট ওই ঠিকাদারি লাইসেন্স দিয়ে তার আত্মীয়-স্বজন কাজ করে থাকে ফলে তার ওই প্রতিষ্ঠানই কাজ পেয়ে থাকে।

এছাড়া বরিশাল পটুয়াখালী জেলার ফেরিগুলো তার দায়িত্বে থাকায় ফেরিগুলোর ইঞ্জিল অচল দেখিয়ে তার নিজস্ব ঠিকাদার দিয়ে ইস্টিমেট দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয় সে সরকারি গাড়িতে খুলনা ও সাতক্ষীরাসহ তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিদর্শন করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিষ্ঠানটির একাধিক কর্মকর্তা চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশ- দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে তার মোবাইল ফোনে ফোন করলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট। আমার নামে কোন সম্পদ নেই তদারকি করে দেখেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design Developed By : JM IT SOLUTION