1. mznrs@yahoo.com : MIZANUR RAHMAN : MIZANUR RAHMAN
  2. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন আঙ্গিকে আধুনিক চক্ষু চিকিৎসার ঠিকানা চরফ্যাশন দ্বীপ চক্ষু হাসপাতাল শিবারহাট হাইস্কুলে চরফ্যাশন দ্বীপ চক্ষু হাসপাতালের চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প তারেক রহমান ও আনোয়ার ইব্রাহিম দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলন বরগুনায় এলজিইডি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ২২ বছরেই ২৪৫ কোটি টাকার মালিক: হলিউড তারকা মিলি ববি ব্রাউনের উত্থানের গল্প বরগুনার সংরক্ষিত মহিলা আসনে মীরা খানকে দেখতে চায় এলাকাবাসী তালতলীতে আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ ৮০ কেন্দ্রে টিকা নেবেন হজযাত্রীরা, এসএমএসে জানানো হবে তারিখ অতিরিক্ত কাজের চাপে বিরতিতে কেয়া পায়েল তারেক রহমানের গাড়িতে ‘রহস্যময়’ কাগজ সাঁটানোর ঘটনায় তদন্ত চলছে, শনাক্ত হয়নি মোটরসাইকেল আরোহী

৮ ডিসেম্বর: বরিশাল মুক্ত দিবস আজ

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৬৪৩ জন সংবাদটি পড়েছেন।

আজ ৮ ডিসেম্বর। বরিশাল মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এদিনে পাক হানাদারদের কবল থেকে বরিশাল মুক্ত হয়েছিল। ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে দিয়ে সেদিন মুক্তিযোদ্ধারা আকাশ-বাতাস মুখরিত করেছিল।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ‘একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিকামী বাঙালিদের ওপর গণহত্যা শুরু করে।

তবে বরিশালে পাকিস্তানি বাহিনী প্রবেশ করে ২৫ এপ্রিল। ওই দিন গানবোট ও হেলিকপ্টারে করে হানাদার বাহিনীর একাধিক গ্রুপ স্টিমার ঘাট, বিসিক ও চরবাড়িয়া এলাকা দিয়ে শহরে প্রবেশ করে।

চরবাড়িয়া থেকে আসা গ্রুপটি লাকুটিয়া সড়ক ধরে শহরে আসার পথে নির্বিচারে বাঙালিদের হত্যা করে। ওই গ্রুপটি সন্ধ্যায় এসে ওঠে নতুন বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে। অন্য দুটি গ্রুপ দখল করে শহরের অশ্বিনী কুমার টাউন হল ও জিলা স্কুল। পাকিস্তানি সোনাদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উঠে সার্কিট হাউসে।

২৯ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিপরীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদা কলোনি দখল করে তাদের ক্যাম্প বানায়। ক্যাম্পের পশ্চিম দিকে সাগরদী খালের তীরে বাংকার তৈরি করে সশস্ত্র পাহারা বাসায় পাকিস্তানি সেনারা।

ওয়াপদা কলোনির এ ক্যাম্প থেকেই ঝালকাঠি, পটুয়াখালী ও ভোলায় অপারেশন চালাত পাকিস্তানিরা। তাছাড়া ওয়াপদা কলোনির ২৫ নম্বর ভবনে শত শত বাঙালি মুক্তিকামী নারী-পুরুষকে ধরে নিয়ে গণহত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হয়।

ক্যাম্পের পাশ ঘেসে বয়ে যাওয়া সাগরদী খালে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে অনেক মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিকামী মানুষের মৃতদেহ। যাদের মধ্যে শহীদ মজিবর রহমান কাঞ্চন, শহীদ আলমগীর ও শহীদ নজরুলের নাম বলতে পেরেছেন মুক্তিযোদ্ধারা।

এছাড়া স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী আজিজুল ইসলামকে ৭১’র ৫ মে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনারা। ওয়াপদা কলোনির পেছনে দক্ষিণ পাশে খাদ্য বিভাগের কর্মচারীরা তার মরদেহ দাফন করেন।

১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর বিকেল ৪টা থেকে বরিশালে কারফিউ জারি করেছিল পাকবাহিনী। সীমান্তে মিত্র বাহিনী আক্রমণ শুরু করার পর ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকেই পাক সেনারা বরিশাল ত্যাগের প্রস্তুতি নিতে থাকে।

৮ ডিসেম্বর দুপুরে পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তারা গানবোট, লঞ্চ, স্টিমারে বরিশাল থেকে গোপনে পালিয়ে যায়। তবে পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের গোপনে পালানোর খবরটি জানাজানি হয়ে যায়। ভারতীয় বিমানবাহিনী দুপুর ২টায় বরিশালে হামলা চালায়। পাকিস্তানি দখলদারদের পালিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে বিকেল ৩টায় বরিশালের অদূরে অবস্থানরত সুলতান মাস্টার ও আবদুল মান্নানের নেতৃত্বাধীন মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল প্রবেশ করে শহরের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

এদিকে পাক বাহিনীর শহর ত্যাগের খবরে ৮ মাস ধরে অবরুদ্ধ বরিশালের মুক্তিকামী মানুষ বিজয়ের আনন্দে স্লোগান দিয়ে দলে দলে রাস্তায় নেমে আসে। ঘরে ঘরে উত্তোলিত হয় স্বাধীনতার পতাকা। মুক্ত হয় বরিশাল।

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় বরিশাল মুক্ত দিবস পালনে বরিশাল মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও বরিশাল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
Design Developed By : JM IT SOLUTION